কাতলা মাছের রেজালা রেসিপি । Katla Macher Rezala Recipe

আপনারা হয়তো কাতলা মাছের বিভিন্ন রেসিপি ট্রাই করছেন। আর রিকোয়েস্ট হল এক হল এই রেসিপি ট্রাই করার কারন চেষ্টা করছি খুব সহজেই আপনাদের এই রেসিপিটা করে দেখাবো।

Katla Macher Rezala Ingredients

কাতলা মাছ

কাচা লঙ্কা

রসুনের কোয়া

আদর টুকরো

পিয়াঁজ

জল

কাজু

চারমগজ

পোস্তদানা

তেজপাতা

লাল লঙ্কা

গোটা গোলমরিচ

মৌরি

রসুন এবং আদা বাটা

ধনে গুঁড়ো

জিরে গুঁড়ো

নুন

টকদই

চিনি

কেওড়া জল

গরমমশলা

কাচা লঙ্কা

আজকে আমাদের রেসিপি কাতলা মাছের রেজালা তাহলে কাতলা মাছের রেজালা বানানোর জন্য আমি এখানে আট পিস কাতলা মাছ নিয়ে নিয়েছি যার মধ্যে আছে চারটি দাগা ও চারটি পেটি এবার মাছগুলোকে আমাদের ম্যারিনেট করে নিতে হবে ।

আর ম্যারিনেশনের লাগছে মাত্র উপকরণ সেটা হল শুধুমাত্র নুন বাটি নুন টা আপনাদের খুব ভাল করে মাছ এর মধ্যে মাখিয়ে নিতে হবে। আচ্ছা এখানে বলে রাখি আপনারা চাইলে একটু লেবু দিতে পারেন।

যেহেতু আমি রেসিপিতে টক দই ব্যবহার করেছি তা লেবুটা বোর্ড করলাম। এবার ম্যারিনেটেড মানুষগুলোকে আমি ফ্রাই করে নেবো আর তার আগেই মাছের গ্রেভিটা বানানোর জন্য কী কী পেস্ট করতে হবে সেটা দেখে নিন।

তাহলে সবার প্রথমে পেস্ট বানাতে হবে তার জন্য লাগছে সাত থেকে কাঁচা লঙ্কা 10 থেকে 12 রসুনের কোয়া আর হাফ ইঞ্চি আদা কে আমি একটু পাতলা করে স্লাইস করে নিয়েছি এই তিনটি গিয়ে আমি মিক্সিতে সামান্য জল দিয়ে পেস্ট করে নেব।

এরপর আমাদের লাগছে পেঁয়াজ আর সেটাকে আমি এরকম পাতলা পাতলা করে কেটে নিচ্ছি আর কাটা হলে আমি ডাইরেক্টলি দিয়ে দেবো গরম জলের মধ্যে আচ্ছা এখানে ছোট্ট টিপস তিনটি পেঁয়াজের জন্য আমি মোটামুটি এখানে ছয় কাপ জল নিয়েছি।

কারণ পেঁয়াজটা যখন বড় হবে তার থেকেও জল ছাড়বে তা এখানে জলের পরিমাণটা অ্যাডজাস্ট হয়ে যাবে বা কেন একটু কম জল নিচ্ছি সেটা দেখে নিই কারণ নিশ্চয়ই দেখতে পাচ্ছেন পেজ টা খুব ভাল ভাবে জলের মধ্যে পড়ছে আর আস্তে আস্তে জলটাও কমে আসছে।

তাই দু থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই দেখবেন জলটা প্রায় একদমই কমে গেছে আর পেঁয়াজটা আপনাদের পারফেক্টলি সেদ্ধ হয়ে গেছে। আপনারা যদি খুব বেশি জল নিয়ে নিতেন সেক্ষেত্রে আপনাদের পেঁয়াজ তাকে আবারও স্ট্রেন করতে হত।

এই প্রসেসে করলে আপনাদের সময়টা একটু বাঁচবে এবার সিদ্ধ পেঁয়াজ গুলোকে আমি ভালো করে ঠান্ডা করে পেস্ট করে নেব। যে আমাদের থার্ড আর ফাইনাল পেস্ট করে নিতে হবে তার জন্য লাগছে আট থেকে কাজুবাদাম সাথে এক চা চামচ চারমগজ আর এক চা চামচ পোস্ত এবং সামান্য জল দিয়ে ভিজিয়ে রেখে এটাও ভালো করে পেস্ট করে নেবেন।

এবার ফাইনালে মাছগুলো ফ্রাই করার জন্য পাত্রে নিয়ে নিচ্ছি সাদা তেল আচ্ছা এখানে ছোট্ট টিপস মাছগুলো ফ্রাই করার আগে এখানে দিয়ে দিতে পারেন সামান্য একটু নুন কারণ এটা দেওয়ার কারণে আমরা যখন মাছগুলো ফ্রাই করবেন মাছগুলো কিন্তু আর কনের গায়ে লেগে যাবে না৷

আর তার জন্য আমরা খুব সহজেই মাছটাকে পাল্টে নিতে পারবেন। আর এই রেসিপির জন্য আপনাদের মাছগুলোকে 60 পারসেন্টের বেশি হলে চলবে না। যখনই দেখবেন সামান্য একটু কাজ চলে সেখানে মাছগুলোকে আপনাদের পাল্টে দিতে হবে।

আর অপহৃত ঠিক কী ভাবে আপনাদের ভেজে নিতে হবে। আর এই মাছগুলো তুলে রাখছি প্লেট এর মধ্যে আর ঠিক একই ভাবে আমি বাকি মাছগুলো ভেজে নিয়েছি।

এই সব কটা মাছ ভাজা হয়ে গেলে একই তেলের মধ্যে দিয়ে দেব। তেজপাতা শুকনো লঙ্কা এক চা চামচ গোটা গোলমরিচ আর হাফ চা চামচ মৌরি এবার গ্যাসের দাম থাকে লড়েছি আপনাদের 30 থেকে 35 সেকেন্ড এটাকে ভালো করে ভেজে নিতে হবে যখনই দেখবেন মশলার ফ্লেভারটা খুব ভালোভাবে ছেড়ে দিয়েছে তখন এখানে দিয়ে দিতে হবে যে পেঁয়াজটা বেঁধে রেখেছিলাম সেটা আর প্লেনটাকে মিডিয়াম করি।

আপনাদের ভাল করে একটু রান্না করে নিতে হবে। যেহেতু পেঁয়াজটা আগে থেকে সেদ্ধ করা ছিল সেইজন্য খুব বেশিক্ষণ আপনাদের সময় লাগবে না।

দুই থেকে তিন মিনিটের মধ্যেই দেখবেন এইভাবে তেলটা উপরে ছেড়ে দিয়েছে। আর ঠিক এই চিঠি দিয়ে দিতে হবে আদা, রসুন ও লঙ্কা বাটা। সেটাও আমাদের ভাল করে রান্না করে নিতে হবে।

আচ্ছা এখানে ছোট্ট টিপস আপনারা গ্যাসের প্রেমটাকে এই সময় কিন্তু অবশ্যই লো রাখবেন। কারন এর মধ্যে যেহেতু মশলা ছিল সে জন্য এগুলো কিন্তু খুব বেশি ছিটকাবে তাই লক্ষ্য রাখলেই ভাল ভাবে রান্না হয়ে যাবে আর খুব বেশি ছিটকাবে না৷

তাহলে এবার আদা রসুনের কাঁচা গন্ধ চলে গেলে এখানে বাকি কিছু মশলা দিয়ে দেব যেমন দেড় চা চামচ ধনে গুঁড়ো এক চা চামচ জিরে গুঁড়ো আর সাথে অবশ্যই স্বাদমতো নুন। এখানে আমাদের আর বাকি কোন মশলা যাবে না আর মশলা যাওয়ার পরে আপনাদের একটু ভালো করে খুব করে নিতে হবে যতক্ষণ না এইভাবে তেলটা ছেড়ে আসছে।

আমার এই স্টেজে আমাদের দিতে হবে৷ আমরা যে কাজ ও চার মৌজার পোস্তর চেষ্টা করেছিলাম, সেটা এটা আমাদের কাছে মিডিয়াম রেখে ভাল করে মিশিয়ে নিতে হবে। এই যে আপনাদের একটু সময় লাগবে তাও মোটামুটি 10-12 মিনিট। কারণ কাজটা এখানে একদমই কাঁচা।

তাই কাজু চারমগজ পোস্ত যখন ভাল ভাবে খুন করে নেবেন দেখবেন এইভাবে তেলটা ছেড়ে দিয়েছে৷ ঠিক এই যে আপনাদের দিয়ে দিতে হবে টক দই এখানে খুব বেশি টক দই দেওয়া দরকার নেই মোটামুটি 150 গ্রাম দিয়ে দিলেই হবে আর টক দই একটু সামান্য জল দিয়ে আগে থেকে ফেটিয়ে রেখেছিলাম যাতে গ্রেভিতে দেওয়ার সাথে সাথে কেটে না যায় লাস্ট বারের মতো সবকিছু একবার ভালো করে মিশিয়ে নিন।

অতি অবশ্যই এখানে একটু নুন টা চেক করে নেবেন। এই যে টক ভাবটা একটু ব্যালেন্স করার জন্য দিয়ে দিতে পারেন। সামান্য একটু চিনি তার পর যখনই দেখবেন এইভাবে তেলটা ছেড়ে দিয়েছে এখানে দিতে হবে পরিমাণমতো জল আর জল দেওয়ার সাথে সাথে কিন্তু আমরা এখানে মাছ দেবেন না থাকে হাই করে একবার ভালো করে ফুটিয়ে নেবেন কারণ জল দেওয়ার সাথে সাথে এটা ঘন হবে না।

জল দেওয়ার পরে কাজটাকে আপনাদের রিঅ্যাক্ট করার টাইম দিতে হবে। মোটামুটি এক থেকে দেড় মিনিটের মধ্যেই দেখবেন গ্রেভিটা আস্তে আস্তে ঘন হওয়া শুরু করবে আর এই যে আপনাদের দিয়ে দিতে হবেভাজা মাছগুলো মাছগুলো যেহেতু আমাদের 60% বুক হয়ে আছে তাই খেতে দেওয়ার পরে আপনাদের ভাল করে ফুটিয়ে নিতে হবে।

তিন থেকে চার মিনিটের মধ্যে দেখবেন৷ রবিবার থেকে ভাল ভাবে তেলটা ছেড়ে দেবে। আর ততক্ষণে মাছগুলো একদম 100% ঠিক হয়ে যাবে। এই গ্রেভিটা ফিনিশ করবই সামান্য একটু কেওড়া জল সাথে হাফ চা চামচ গরম মসলা সাথে কয়েকটা কাঁচা লঙ্কা দিয়ে আর ফাইনালে সব কিছুকে একবার ভালো করে মিশিয়ে নিলে আমাদের কাতলা মাছের ঝোলে কিন্তু পারফেক্টলি রেডি যে কোনও পোলাও বা গরম ভাতের সাথে আপনারা এনজয় করতে পারেন৷

আর আশা করি এই রেসিপিটা আপনাদের নিশ্চয়ই ভালো লেগেছে৷ ভালো লাগল প্রতিবারের মতো আমাকে কিন্তু কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না । ভালো থাকবেন সুস্থ থাকবেন।

Leave a comment